বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

সেহরির পর ভালো ঘুমে যা করতে পারেন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৫:১৮ এম
সেহরির পর ভালো ঘুমে যা করতে পারেন

রমজান মাসে আমাদের স্বাভাবিক অভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আসে। এ সময় খাওয়াদাওয়ার সময় ও ধরন বদলে যায়। আরও বদলে যায় ঘুমের সময়। এই নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় শরীরকে। এ জন্য নতুন করে অনেক অভ্যাস তৈরি করতে হয়।

সেহরি খাওয়ার পর অনেকের ঘুমানোর প্রয়োজন হয়ে পড়ে। এ সময়ের প্রশান্তিদায়ক ঘুমের জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখা প্রয়োজন। সঠিক সময়ে ঘুম আর পরিমিত খাদ্যাভ্যাস আপনার সেহরিকে করবে আনন্দময় এবং পরবর্তী দিনটিকে করবে আরও সতেজ ও প্রাণবন্ত।

যা যা করবেন

তৈলাক্ত ও ভারী খাবার বাদ দিন: সেহরিতে অতিরিক্ত মসলাযুক্ত বা ভাজাপোড়া খাবার খাওয়ার পর বুকে জ্বালাপোড়া হতে পারে, যা আপনার ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাবে। তাই সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার বেছে নিন।

পর্যাপ্ত পানি পান: একবারে অনেক বেশি পানি পান না করে অল্প অল্প পান করুন। আর ঘুমানোর ঠিক আগ মুহূর্তে অতিরিক্ত পানি পান করবেন না। তাতে ঘুমের মধ্যে বারবার প্রস্রাবের বেগে জেগে উঠতে হবে না।

বিছানায় যাওয়ার আগে: খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়বেন না। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত হাঁটাহাঁটি করুন। এতে খাবার হজম সহজ হবে এবং ঘুমের মান উন্নত হবে।

ঘরের পরিবেশ শান্ত রাখা: পুনরায় ঘুমানোর সময় ঘরের আলো কমিয়ে দিন এবং কোলাহলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করুন।

‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১২ পিএম
‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক রিপোর্ট | এমবি টিভি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে উৎসাহ দিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন ভারতের নারী আইপিএস কর্মকর্তা বুশরা বানু। তবে ভিডিওতে ‘আসসালামু আলাইকুম’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর তাকে পশ্চিমবঙ্গের খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদ থেকে বদলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তার বদলির খবর প্রকাশ্যে আসে।

ঘটনার সূত্রপাত বুশরা বানুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ প্রকাশিত একটি ভিডিওকে ঘিরে। ভিডিওতে তিনি জানান, পিএইচডি সম্পন্ন করার পর সৌদি আরবের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির একটি কোচিং একাডেমি তাকে সহযোগিতা করেছিল।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন। বই, মক টেস্টসহ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার জন্য অন্য শিক্ষার্থীদেরও উৎসাহিত করেন তিনি।

তবে ভিডিওর শুরুতে ইসলামিক অভিবাদন ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলে ‘হিন্দু লিগাল ফান্ড’ নামে একটি ডানপন্থি সংগঠন। সংগঠনটি পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে অভিযোগ জানায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, সরকারি পদে থাকা একজন কর্মকর্তার জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং জাতীয় অভিব্যক্তি ব্যবহার করা উচিত।

এরপর বুশরা বানুর বদলিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা ও বিতর্ক। এক পক্ষ তার সরকারি পদে থেকে এ ধরনের শব্দ ব্যবহারের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে, অনেকে মনে করছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিবাদন ব্যবহার করলেই তা সরকারি নিরপেক্ষতার পরিপন্থী হয়ে যায় কি না—সে প্রশ্নও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

সমালোচকদের একটি অংশ আরও প্রশ্ন তুলেছেন, ভারতের মতো বহু ধর্ম ও সংস্কৃতির দেশে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব অভিবাদন ও সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি ব্যবহারের অধিকার কীভাবে সরকারি দায়িত্বের নিরপেক্ষতার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

ঘটনাটি ইতোমধ্যে ভারতে সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিব্যক্তি, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা এবং দেশের বহুত্ববাদী সামাজিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া