বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চান্দগাঁওয়ের কৃতি ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দীনের পবিত্র হজ যাত্রা, এলাকাজুড়ে দোয়া ও শুভকামনা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১১:৪৪ এম
চান্দগাঁওয়ের কৃতি ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দীনের পবিত্র হজ যাত্রা, এলাকাজুড়ে দোয়া ও শুভকামনা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

চট্টগ্রামের চান্দগাঁও আফজাল মাঝি পাড়ার সুপরিচিত ও সুনামধন্য ব্যবসায়ী মোঃ নিজাম উদ্দীন পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের মক্কা নগরী-তে পৌঁছেছেন। তাঁর এই পবিত্র সফরকে ঘিরে এলাকায় বিরাজ করছে আনন্দঘন পরিবেশ ও ধর্মীয় আবেগ।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে হজ পালনের ইচ্ছা লালন করে আসছিলেন। এর আগেও তিনি একাধিকবার হজ ও ওমরাহ পালন করেছেন, যা তাঁর ধর্মীয় অনুরাগ ও ইবাদতের প্রতি গভীর আন্তরিকতার প্রমাণ বহন করে। অবশেষে আবারও মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি সেই কাঙ্ক্ষিত সফরে রওনা হয়ে নিরাপদে মক্কায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমানে তিনি সেখানে হজের আনুষ্ঠানিকতা পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, মোঃ নিজাম উদ্দীন শুধু একজন সফল ব্যবসায়ীই নন, তিনি একজন সমাজসেবী ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবেও সুপরিচিত। তিনি বর্তমানে আফজাল মাঝি পাড়া সমাজ উন্নয়ন কমিটি এবং স্থানীয় মসজিদ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে, যা এলাকাবাসীর মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

আফজাল মাঝি পাড়ার মসজিদে তাঁর সুস্থতা ও সফলভাবে হজ সম্পন্ন করার জন্য বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এলাকাবাসী তাঁর জন্য দোয়া করছেন, যেন তিনি হজের সকল আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে সম্পন্ন করে সুস্থভাবে দেশে ফিরে আসতে পারেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, হজ শেষে দেশে ফিরে এসে তিনি যেন আরও বেশি করে মানবকল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারেন—এই কামনাই সবার।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মুসল্লি পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কা নগরীতে সমবেত হন, যা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত।

‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১২ পিএম
‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক রিপোর্ট | এমবি টিভি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে উৎসাহ দিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন ভারতের নারী আইপিএস কর্মকর্তা বুশরা বানু। তবে ভিডিওতে ‘আসসালামু আলাইকুম’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর তাকে পশ্চিমবঙ্গের খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদ থেকে বদলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তার বদলির খবর প্রকাশ্যে আসে।

ঘটনার সূত্রপাত বুশরা বানুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ প্রকাশিত একটি ভিডিওকে ঘিরে। ভিডিওতে তিনি জানান, পিএইচডি সম্পন্ন করার পর সৌদি আরবের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির একটি কোচিং একাডেমি তাকে সহযোগিতা করেছিল।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন। বই, মক টেস্টসহ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার জন্য অন্য শিক্ষার্থীদেরও উৎসাহিত করেন তিনি।

তবে ভিডিওর শুরুতে ইসলামিক অভিবাদন ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলে ‘হিন্দু লিগাল ফান্ড’ নামে একটি ডানপন্থি সংগঠন। সংগঠনটি পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে অভিযোগ জানায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, সরকারি পদে থাকা একজন কর্মকর্তার জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং জাতীয় অভিব্যক্তি ব্যবহার করা উচিত।

এরপর বুশরা বানুর বদলিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা ও বিতর্ক। এক পক্ষ তার সরকারি পদে থেকে এ ধরনের শব্দ ব্যবহারের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে, অনেকে মনে করছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিবাদন ব্যবহার করলেই তা সরকারি নিরপেক্ষতার পরিপন্থী হয়ে যায় কি না—সে প্রশ্নও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

সমালোচকদের একটি অংশ আরও প্রশ্ন তুলেছেন, ভারতের মতো বহু ধর্ম ও সংস্কৃতির দেশে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব অভিবাদন ও সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি ব্যবহারের অধিকার কীভাবে সরকারি দায়িত্বের নিরপেক্ষতার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

ঘটনাটি ইতোমধ্যে ভারতে সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিব্যক্তি, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা এবং দেশের বহুত্ববাদী সামাজিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া