বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কৃষকেরা ঘরে বসেই অ্যাপ এর মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবে বড়াইগ্রামে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান, চাল ও গম সংগ্রহের উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১২:০৫ পিএম
কৃষকেরা ঘরে বসেই অ্যাপ এর মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবে বড়াইগ্রামে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান, চাল ও গম সংগ্রহের উদ্বোধন

অমর ডি কস্তা, নাটোর প্রতিনিধি:

নাটোরের বড়াইগ্রামে প্রান্তিক কৃষকের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল এবং গম সংগ্রহ-২০২৬ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) সকালে বনপাড়াস্থ উপজেলা খাদ্য গুদাম চত্বরে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ডালিম কাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস, সহকারি কমিশনার (ভূমি) জুবায়ের জাহাঙ্গীর, অন্যদের মধ্যে উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মাহাবুবা পারভীন, বনপাড়া পৌর বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক এবিএম ইকবাল হোসেন রাজু, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মুন্নাফ হোসেন, পৌর যুব দলের সভাপতি মিজানুর রহমান, মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কিশোর কুন্ডু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ডালিম কাজী জানান, চলতি বছর বোরো ধানের চাল (সিদ্ধ) ৪৯ টাকা দরে ৯২৩৮ মেট্রিক টন, বোরো ধান ৩৬ টাকা দরে ৫০০ মেট্রিক টন এবং গম ৩৬ টাকা দরে ৮২০ মেট্রিক টন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য্য করা হয়েছে। চাল তালিকাভুক্ত মিল মালিকদের কাছ থেকে এবং ধান ও গম সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ‘কৃষকের অ্যাপ’ বা ডিজিটাল খাদ্য সংগ্রহ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ক্রয় করা হবে। র্স্ম্ট ফোনের মাধ্যমে নিবন্ধন করে ঘরে বসেই কৃষকেরা ধান ও গম বিক্রির আবেদন করতে পারবে।

‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১২ পিএম
‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক রিপোর্ট | এমবি টিভি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে উৎসাহ দিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন ভারতের নারী আইপিএস কর্মকর্তা বুশরা বানু। তবে ভিডিওতে ‘আসসালামু আলাইকুম’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর তাকে পশ্চিমবঙ্গের খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদ থেকে বদলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তার বদলির খবর প্রকাশ্যে আসে।

ঘটনার সূত্রপাত বুশরা বানুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ প্রকাশিত একটি ভিডিওকে ঘিরে। ভিডিওতে তিনি জানান, পিএইচডি সম্পন্ন করার পর সৌদি আরবের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির একটি কোচিং একাডেমি তাকে সহযোগিতা করেছিল।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন। বই, মক টেস্টসহ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার জন্য অন্য শিক্ষার্থীদেরও উৎসাহিত করেন তিনি।

তবে ভিডিওর শুরুতে ইসলামিক অভিবাদন ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলে ‘হিন্দু লিগাল ফান্ড’ নামে একটি ডানপন্থি সংগঠন। সংগঠনটি পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে অভিযোগ জানায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, সরকারি পদে থাকা একজন কর্মকর্তার জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং জাতীয় অভিব্যক্তি ব্যবহার করা উচিত।

এরপর বুশরা বানুর বদলিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা ও বিতর্ক। এক পক্ষ তার সরকারি পদে থেকে এ ধরনের শব্দ ব্যবহারের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে, অনেকে মনে করছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিবাদন ব্যবহার করলেই তা সরকারি নিরপেক্ষতার পরিপন্থী হয়ে যায় কি না—সে প্রশ্নও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

সমালোচকদের একটি অংশ আরও প্রশ্ন তুলেছেন, ভারতের মতো বহু ধর্ম ও সংস্কৃতির দেশে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব অভিবাদন ও সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি ব্যবহারের অধিকার কীভাবে সরকারি দায়িত্বের নিরপেক্ষতার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

ঘটনাটি ইতোমধ্যে ভারতে সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিব্যক্তি, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা এবং দেশের বহুত্ববাদী সামাজিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া