সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

হাওরের কৃষকদের দুর্দশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ফজলুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১১:৫৫ পিএম
হাওরের কৃষকদের দুর্দশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ফজলুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আগাম বন্যা ও টানা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হাওরাঞ্চলের কৃষকদের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান-কে সচিবালয়ে ডেকে পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কৃষকদের পুনর্বাসন, খাদ্য সহায়তা ও জরুরি করণীয় নিয়ে বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন মুক্তিযোদ্ধা ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ব্যক্তিগত সহকারী এনামুল হক মোল্লা।

সূত্র জানায়, বিকেল ৪টার দিকে সচিবালয়ে প্রবেশ করে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন তিনি। বৈঠকে হাওরাঞ্চলের সাম্প্রতিক বন্যা, অতিবৃষ্টি এবং কৃষকদের ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির বিষয় তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, খাদ্য সহায়তা ও কৃষিঋণ পুনঃতফসিলের বিষয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে ফজলুর রহমান বলেন, বন্যার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তাকে হাওরাঞ্চলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেন। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য তিন মাসের খাদ্য সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, যা তিনি একটি সময়োপযোগী ও মানবিক সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেন।

সংসদ সদস্য আরও বলেন, এবারের বন্যা ও অতিবৃষ্টিতে হাওরাঞ্চলে স্মরণকালের অন্যতম বড় ক্ষতি হয়েছে। শুধু আগাম বন্যাই নয়, টানা বৃষ্টির কারণেও বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। উজান ও ভাটির পার্থক্য ছাড়াই প্রায় সব এলাকাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি জানান, তার নির্বাচনি এলাকার ২৪টি ইউনিয়নই সমানভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে। জাতীয় সংসদের অধিবেশন শেষে তিনি ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামসহ বিভিন্ন হাওর এলাকা ঘুরে কৃষকদের দুর্ভোগ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয় কৃষকরা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে খাদ্য সংকট ও অর্থনৈতিক দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠককে হাওরাঞ্চলের মানুষের জন্য আশাব্যঞ্জক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, বৈঠকের পর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য দ্রুত কার্যকর সহায়তা কার্যক্রম শুরু হবে।

নির্বাচনের মাঠে সর্বশক্তি নিয়ে নামার আহ্বান জামায়াত আমিরের

এমবি টিভি | নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
নির্বাচনের মাঠে সর্বশক্তি নিয়ে নামার আহ্বান জামায়াত আমিরের

নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করে নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে মাঠে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, “আমাদের থামানোর সুযোগ নেই, আমরা থামব না।”

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

আসন্ন স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে নেতাকর্মীদের দিনরাত পরিশ্রম করার তাগিদ দেন জামায়াত আমির। গত জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আগের ভুল ও দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে। এবার সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। দেশ পরিচালনার দায়িত্ব কারা পাবে, তা জনগণই নির্ধারণ করবে।

সমাজ পরিবর্তনের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে এবং সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। সৎ, যোগ্য ও খোদাভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, রুকনিয়াত কোনো পদ-পদবি নয়, এটি একটি মান। আগামী মেয়র নির্বাচনে কার্যকর ভূমিকা রেখে নেতাকর্মীদের ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে।

ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সংগঠনের সদস্যদের মান, শৃঙ্খলা ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সম্মেলনে ‘নাগরিক সেবা’ নামে একটি অ্যাপ উদ্বোধন করেন ডা. শফিকুর রহমান। আয়োজকদের দাবি, এতে নাগরিকদের জন্য ৫০টির বেশি সেবামূলক সুবিধা থাকবে।

সম্মেলনের নির্বাচনী অধিবেশনে প্রায় ১ হাজার ৩০০ রুকন সদস্য ২০২৭-২০২৮ মেয়াদের জন্য ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির নির্বাচনে ভোট দেন।