বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

নাটোর-নওগাঁ সংরক্ষিত নারী আসনে, বিএনপির মনোনয়ন পেলেন খ্রিস্টান-নৃগোষ্ঠী নেত্রী আন্না ও ছাত্রদল নেত্রী তুলি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
নাটোর-নওগাঁ সংরক্ষিত নারী আসনে, বিএনপির মনোনয়ন পেলেন খ্রিস্টান-নৃগোষ্ঠী নেত্রী আন্না ও ছাত্রদল নেত্রী তুলি

অমর ডি কস্তা, নাটোর প্রতিনিধি:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নাটোর-নওগাঁ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠী নেত্রী আন্না মিনজ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানজিদা ইয়াসমিন তুলি। আন্না মিনজ নাটোরের বড়াইগ্রামের জোনাইলের কৃতি সন্তান বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সহ-সম্পাদক এডভোকেট জন গমেজ এর সহধর্মিণী ও তুলি নাটোরের লালপুরের ২ নম্বর ঈশ্বরদী ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতির মেয়ে।

আন্না মিনজ এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন এ খবর পাওয়া মাত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে  পোস্ট দিয়েছেন এই অঞ্চলের খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ সহ সর্বস্তরের জনগণ। একইভাবে তুলি মনোনয়ন পেয়েছেন এ খবর জানতে পেরে উচ্ছ্বসিত হয়েছেন তার ভক্ত, সমর্থক ও শুভাকাঙ্খীরা। তারাও সোশ্যাল মিডিয়ায় দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

মনোনয়নপ্রাপ্ত এমপি আন্না মিনজ এর স্বামী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা এডভোকেট জন গমেজ নিজেকে বিএনপি’র একনিষ্ঠ কর্মী পরিচয় দিয়ে তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মনোনীত নাটোরের প্রার্থী আন্না মিনজকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। মহান সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ। বিএনপির সম্মানিত চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এবং সম্মানিত মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মীর্জা ফখরুল ইসলাম

‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১২ পিএম
‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক রিপোর্ট | এমবি টিভি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে উৎসাহ দিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন ভারতের নারী আইপিএস কর্মকর্তা বুশরা বানু। তবে ভিডিওতে ‘আসসালামু আলাইকুম’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর তাকে পশ্চিমবঙ্গের খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদ থেকে বদলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তার বদলির খবর প্রকাশ্যে আসে।

ঘটনার সূত্রপাত বুশরা বানুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ প্রকাশিত একটি ভিডিওকে ঘিরে। ভিডিওতে তিনি জানান, পিএইচডি সম্পন্ন করার পর সৌদি আরবের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির একটি কোচিং একাডেমি তাকে সহযোগিতা করেছিল।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন। বই, মক টেস্টসহ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার জন্য অন্য শিক্ষার্থীদেরও উৎসাহিত করেন তিনি।

তবে ভিডিওর শুরুতে ইসলামিক অভিবাদন ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলে ‘হিন্দু লিগাল ফান্ড’ নামে একটি ডানপন্থি সংগঠন। সংগঠনটি পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে অভিযোগ জানায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, সরকারি পদে থাকা একজন কর্মকর্তার জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং জাতীয় অভিব্যক্তি ব্যবহার করা উচিত।

এরপর বুশরা বানুর বদলিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা ও বিতর্ক। এক পক্ষ তার সরকারি পদে থেকে এ ধরনের শব্দ ব্যবহারের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে, অনেকে মনে করছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিবাদন ব্যবহার করলেই তা সরকারি নিরপেক্ষতার পরিপন্থী হয়ে যায় কি না—সে প্রশ্নও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

সমালোচকদের একটি অংশ আরও প্রশ্ন তুলেছেন, ভারতের মতো বহু ধর্ম ও সংস্কৃতির দেশে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব অভিবাদন ও সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি ব্যবহারের অধিকার কীভাবে সরকারি দায়িত্বের নিরপেক্ষতার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

ঘটনাটি ইতোমধ্যে ভারতে সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিব্যক্তি, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা এবং দেশের বহুত্ববাদী সামাজিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া