বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

পুংগলী আমিনা মোস্তফা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায়, নবীনবরণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫৩ এম
পুংগলী আমিনা মোস্তফা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায়, নবীনবরণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত

মােঃ আরিফুল ইসলাম,পাবনাঃ

পুংগলী আমিনা মোস্তফা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়, ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ এবং দোয়া অনুষ্ঠান যথাযোগ্য মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অত্র বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহা আলম বিএসসি সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলোওয়াত ও গীতাপাঠের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন, প্রধান অতিথি, এ্যাডভোকেট, আঃ মমিন, বিশেষ অতিথি, আঃ করিম সরকার, এস এম হাসান তারেক মুকুল, এনামুল হক, মেহেদী হাসান তপন, কামাল হোসেন কাদেরী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।

উপস্থিত প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি বক্তাগণরা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন, নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। এবং আসন্ন পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সাফল্য কামনা করেন। পরীক্ষায় যেন শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করতে পারে আমরা তোমাদের জন্য মঙ্গল ও সাফল্য কামনা করি।

এ সময় ২০২৬ সালের পরীক্ষার্থীদের ফুলের শুভেচ্ছা ও স্মারক উপহার প্রদান করা হয়। আবেগঘন পরিবেশে বিদায়ী শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে। অনেকেই বিদ্যালয়ের স্মৃতিচারণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে। অপরদিকে ষষ্ঠ শ্রেণীর নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। নবীন শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের নতুন পরিবেশে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিদায়ী পরীক্ষার্থীদের সফলতা, মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন, অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাওলানা মোঃ মোক্তার হোসেন। উক্ত বিদায়, নবীববরণ অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা শিক্ষার্থীরা, অভিভাবকগণ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গগণ উপস্থিত ছিলেন।

‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১২ পিএম
‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক রিপোর্ট | এমবি টিভি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে উৎসাহ দিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন ভারতের নারী আইপিএস কর্মকর্তা বুশরা বানু। তবে ভিডিওতে ‘আসসালামু আলাইকুম’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর তাকে পশ্চিমবঙ্গের খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদ থেকে বদলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তার বদলির খবর প্রকাশ্যে আসে।

ঘটনার সূত্রপাত বুশরা বানুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ প্রকাশিত একটি ভিডিওকে ঘিরে। ভিডিওতে তিনি জানান, পিএইচডি সম্পন্ন করার পর সৌদি আরবের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির একটি কোচিং একাডেমি তাকে সহযোগিতা করেছিল।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন। বই, মক টেস্টসহ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার জন্য অন্য শিক্ষার্থীদেরও উৎসাহিত করেন তিনি।

তবে ভিডিওর শুরুতে ইসলামিক অভিবাদন ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলে ‘হিন্দু লিগাল ফান্ড’ নামে একটি ডানপন্থি সংগঠন। সংগঠনটি পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে অভিযোগ জানায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, সরকারি পদে থাকা একজন কর্মকর্তার জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং জাতীয় অভিব্যক্তি ব্যবহার করা উচিত।

এরপর বুশরা বানুর বদলিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা ও বিতর্ক। এক পক্ষ তার সরকারি পদে থেকে এ ধরনের শব্দ ব্যবহারের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে, অনেকে মনে করছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিবাদন ব্যবহার করলেই তা সরকারি নিরপেক্ষতার পরিপন্থী হয়ে যায় কি না—সে প্রশ্নও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

সমালোচকদের একটি অংশ আরও প্রশ্ন তুলেছেন, ভারতের মতো বহু ধর্ম ও সংস্কৃতির দেশে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব অভিবাদন ও সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি ব্যবহারের অধিকার কীভাবে সরকারি দায়িত্বের নিরপেক্ষতার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

ঘটনাটি ইতোমধ্যে ভারতে সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিব্যক্তি, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা এবং দেশের বহুত্ববাদী সামাজিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া