বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

রাঙ্গামাটিতে পিসিসিপির উদ্যোগে ঈদ উপলক্ষে ১৫০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৩ পিএম
রাঙ্গামাটিতে পিসিসিপির উদ্যোগে ঈদ উপলক্ষে ১৫০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা বিতরণ

সর্বজিৎ চাকমা, রাঙ্গামাটিঃ

পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি), রাঙ্গামাটি জেলা শাখার উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গরীব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে রাঙ্গামাটি জেলার কাঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১৫০টি পরিবারের মাঝে চাউল বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নানিয়াচর উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো. নুরুজ্জামান, বরকল উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পান্না মিয়া এবং কাঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কলিম উল্লাহ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন পিসিসিপি রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সভাপতি তাজুল ইসলাম তাজ, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশারফসহ জেলা, উপজেলা, পৌর ও কলেজ শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর ভ্রাতৃত্ব, সাম্য ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। সমাজের বিত্তবানদের উচিত অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তারা আরও বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মুখে হাসি ফোটাতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগীদের মাঝে চাউল বিতরণ করা হয়।

‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১২ পিএম
‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক রিপোর্ট | এমবি টিভি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে উৎসাহ দিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন ভারতের নারী আইপিএস কর্মকর্তা বুশরা বানু। তবে ভিডিওতে ‘আসসালামু আলাইকুম’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর তাকে পশ্চিমবঙ্গের খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদ থেকে বদলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তার বদলির খবর প্রকাশ্যে আসে।

ঘটনার সূত্রপাত বুশরা বানুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ প্রকাশিত একটি ভিডিওকে ঘিরে। ভিডিওতে তিনি জানান, পিএইচডি সম্পন্ন করার পর সৌদি আরবের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির একটি কোচিং একাডেমি তাকে সহযোগিতা করেছিল।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন। বই, মক টেস্টসহ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার জন্য অন্য শিক্ষার্থীদেরও উৎসাহিত করেন তিনি।

তবে ভিডিওর শুরুতে ইসলামিক অভিবাদন ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলে ‘হিন্দু লিগাল ফান্ড’ নামে একটি ডানপন্থি সংগঠন। সংগঠনটি পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে অভিযোগ জানায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, সরকারি পদে থাকা একজন কর্মকর্তার জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং জাতীয় অভিব্যক্তি ব্যবহার করা উচিত।

এরপর বুশরা বানুর বদলিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা ও বিতর্ক। এক পক্ষ তার সরকারি পদে থেকে এ ধরনের শব্দ ব্যবহারের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে, অনেকে মনে করছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিবাদন ব্যবহার করলেই তা সরকারি নিরপেক্ষতার পরিপন্থী হয়ে যায় কি না—সে প্রশ্নও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

সমালোচকদের একটি অংশ আরও প্রশ্ন তুলেছেন, ভারতের মতো বহু ধর্ম ও সংস্কৃতির দেশে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব অভিবাদন ও সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি ব্যবহারের অধিকার কীভাবে সরকারি দায়িত্বের নিরপেক্ষতার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

ঘটনাটি ইতোমধ্যে ভারতে সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিব্যক্তি, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা এবং দেশের বহুত্ববাদী সামাজিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া