বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

স্পোর্টস সাইন্স বিশ্বিবিদ্যালয় রাজশাহীতে হবেই হবে : ভূমিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৯:০৯ পিএম
স্পোর্টস সাইন্স বিশ্বিবিদ্যালয় রাজশাহীতে হবেই হবে : ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, বাংলাদেশে স্পোর্টস সাইন্স ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীতা অবশ্যই আছে। এটি সময়ের দাবি। রাজশাহী শিক্ষা নগরী হিসেবে খ্যাত, রাজশাহী কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এ নগরী শিক্ষানগরী হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে। আজকে এখান থেকে যে প্রস্তাবটি এসেছে তা প্রথম রাজশাহী দিয়েই শুরু হবে ইনশাআল্লাহ অর্থ্যাৎ স্পোর্টস সাইন্স বিশ্বিবিদ্যালয় রাজশাহীতে হবেই হবে।’ এক্ষেত্রে আমাদের যা করা দরকার আমরা তা করবো।

শনিবার (১৬ মে) রাজশাহী কলেজ অডিটোরিয়ামে শহীদ জিয়াউর রহমান শারীরিক শিক্ষা কলেজের আয়োজনে বাংলাদেশে স্পোর্টস সাইন্স ইউনিভার্সিটি প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক সেমিনার ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সকল দিক থেকে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি দেশের ও জনগণের উন্নয়নে সঠিক চিন্তা করছেন। বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সেগুলো কাটিয়ে ওঠার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটা মন্দা।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে স্পোর্টস সাইন্স ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এটি সময়ের দাবি। প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়াকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। তিনি নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চালু করেছেন। এর মাধ্যমে কিশোরদের সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ, বাছাই এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের মেধাবিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা। এ ছাড়াও ক্রীড়া ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য মাসিক ভাতা চালু করেছে সরকার।

মন্ত্রী আরও বলেন, রাজশাহী আমাদের গর্ব, এটি আমাদের শেকড়। রাজশাহী আমাদের শান্তিপূর্ণ শহর। এ নগরীর সৌন্দর্যের কারিগর নগরবাসী। এখানে অনেক শিক্ষাবিদ ও জ্ঞানী ব্যক্তির জন্ম হয়েছে। এখানকার মাটিতে শুয়ে আছে অধ্যাপক জোহার মতো আত্মত্যাগী ব্যক্তি। রাজশাহীর উন্নয়নে সবসময় আপনাদের পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ। আপনারা আপনাদের প্রস্তাব সরকারের নিকট দেন। এটি সরকারের নজরে আনেন।

শহীদ জিয়াউর রহমান শারীরিক শিক্ষা কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সালাম বিপ্লবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইব্রাহিম আলী।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর এম. রফিকুল ইসলাম।

এ ছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ উপাচার্য প্রফেসর ড. নুরুল হোসেন চৌধুরী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. আব্দুল আলিম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউট্যাবের সভাপতি প্রফেসর ড. মো.মামুনুর রশিদ।

সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, ভারতের পাঞ্জাবী ইউনিভার্সিটি আইসিসিআর ও পিএইচডি ফেলো শারমিন আক্তার শান্তা।

‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১২ পিএম
‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক রিপোর্ট | এমবি টিভি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে উৎসাহ দিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন ভারতের নারী আইপিএস কর্মকর্তা বুশরা বানু। তবে ভিডিওতে ‘আসসালামু আলাইকুম’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর তাকে পশ্চিমবঙ্গের খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদ থেকে বদলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তার বদলির খবর প্রকাশ্যে আসে।

ঘটনার সূত্রপাত বুশরা বানুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ প্রকাশিত একটি ভিডিওকে ঘিরে। ভিডিওতে তিনি জানান, পিএইচডি সম্পন্ন করার পর সৌদি আরবের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির একটি কোচিং একাডেমি তাকে সহযোগিতা করেছিল।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন। বই, মক টেস্টসহ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার জন্য অন্য শিক্ষার্থীদেরও উৎসাহিত করেন তিনি।

তবে ভিডিওর শুরুতে ইসলামিক অভিবাদন ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলে ‘হিন্দু লিগাল ফান্ড’ নামে একটি ডানপন্থি সংগঠন। সংগঠনটি পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে অভিযোগ জানায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, সরকারি পদে থাকা একজন কর্মকর্তার জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং জাতীয় অভিব্যক্তি ব্যবহার করা উচিত।

এরপর বুশরা বানুর বদলিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা ও বিতর্ক। এক পক্ষ তার সরকারি পদে থেকে এ ধরনের শব্দ ব্যবহারের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে, অনেকে মনে করছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিবাদন ব্যবহার করলেই তা সরকারি নিরপেক্ষতার পরিপন্থী হয়ে যায় কি না—সে প্রশ্নও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

সমালোচকদের একটি অংশ আরও প্রশ্ন তুলেছেন, ভারতের মতো বহু ধর্ম ও সংস্কৃতির দেশে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব অভিবাদন ও সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি ব্যবহারের অধিকার কীভাবে সরকারি দায়িত্বের নিরপেক্ষতার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

ঘটনাটি ইতোমধ্যে ভারতে সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিব্যক্তি, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা এবং দেশের বহুত্ববাদী সামাজিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া