বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে ব্যতিক্রমী ‘ঈদ আনন্দ উৎসব’

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে ব্যতিক্রমী ‘ঈদ আনন্দ উৎসব’

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য ব্যতিক্রমী এক আনন্দঘন আয়োজন শুরু হতে যাচ্ছে চট্টগ্রামে। “কাউকে নয় অবহেলা, ঈদ হোক সবার মেলা”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনচট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন যৌথভাবে আয়োজন করেছে দুই দিনব্যাপী ‘ঈদ আনন্দ উৎসব’।

ঈদের দিন ও পরদিন অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য রাখা হয়েছে নানান বিনোদনমূলক কার্যক্রম। থাকবে আকর্ষণীয় রাইডস, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, এবং সারাদিনজুড়ে খাবারের বিশেষ আয়োজন। দিনশেষে গানের মাধ্যমে আনন্দঘন পরিবেশে শেষ হবে প্রতিদিনের আয়োজন।

শনিবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রামের বিপ্লব উদ্যানে এ উৎসবের উদ্বোধন করবেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা এবং তাদের জন্য একটি স্মরণীয় দিন উপহার দেওয়া। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের বোর্ড ডিরেক্টর মো: জামাল উদ্দিন বলেন, ঈদের প্রকৃত আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা সবার মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে দেওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, দুই দিনের এই আয়োজনে কয়েক হাজার শিশু অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা তাদের জীবনে এক ভিন্নধর্মী আনন্দের স্মৃতি হয়ে থাকবে।

‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১২ পিএম
‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় নারী আইপিএস কর্মকর্তার বদলি, ভারতে বিতর্ক

ডেস্ক রিপোর্ট | এমবি টিভি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে উৎসাহ দিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন ভারতের নারী আইপিএস কর্মকর্তা বুশরা বানু। তবে ভিডিওতে ‘আসসালামু আলাইকুম’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর তাকে পশ্চিমবঙ্গের খড়্গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পদ থেকে বদলি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তার বদলির খবর প্রকাশ্যে আসে।

ঘটনার সূত্রপাত বুশরা বানুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ প্রকাশিত একটি ভিডিওকে ঘিরে। ভিডিওতে তিনি জানান, পিএইচডি সম্পন্ন করার পর সৌদি আরবের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির একটি কোচিং একাডেমি তাকে সহযোগিতা করেছিল।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন। বই, মক টেস্টসহ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক বিভিন্ন সুবিধা নেওয়ার জন্য অন্য শিক্ষার্থীদেরও উৎসাহিত করেন তিনি।

তবে ভিডিওর শুরুতে ইসলামিক অভিবাদন ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলে ‘হিন্দু লিগাল ফান্ড’ নামে একটি ডানপন্থি সংগঠন। সংগঠনটি পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে অভিযোগ জানায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, সরকারি পদে থাকা একজন কর্মকর্তার জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং জাতীয় অভিব্যক্তি ব্যবহার করা উচিত।

এরপর বুশরা বানুর বদলিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় আলোচনা ও বিতর্ক। এক পক্ষ তার সরকারি পদে থেকে এ ধরনের শব্দ ব্যবহারের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে, অনেকে মনে করছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিবাদন ব্যবহার করলেই তা সরকারি নিরপেক্ষতার পরিপন্থী হয়ে যায় কি না—সে প্রশ্নও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

সমালোচকদের একটি অংশ আরও প্রশ্ন তুলেছেন, ভারতের মতো বহু ধর্ম ও সংস্কৃতির দেশে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব অভিবাদন ও সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি ব্যবহারের অধিকার কীভাবে সরকারি দায়িত্বের নিরপেক্ষতার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

ঘটনাটি ইতোমধ্যে ভারতে সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত ধর্মীয় অভিব্যক্তি, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা এবং দেশের বহুত্ববাদী সামাজিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া