সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

লাইসেন্স ও বৈধ কাগজ ছাড়া তেল বিক্রি নয়: চট্টগ্রামে পুলিশের নতুন নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১১:২৯ পিএম
লাইসেন্স ও বৈধ কাগজ ছাড়া তেল বিক্রি নয়: চট্টগ্রামে পুলিশের নতুন নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঘিরে চলমান টানাপোড়নের মধ্যে চট্টগ্রামে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে জেলা পুলিশ। এখন থেকে বৈধ কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া কোনো যানবাহনে তেল বিক্রি করা যাবে না বলে পেট্রোল পাম্প মালিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) থেকে এ বিষয়ে প্রচারণা শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

জেলা পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার পাম্প মালিকদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেল চালকদের ক্ষেত্রে হেলমেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকলে অকটেন বিক্রি করা যাবে না। একইভাবে অন্যান্য যানবাহনের ক্ষেত্রেও চালকের লাইসেন্সের পাশাপাশি গাড়ির বৈধ কাগজপত্র যাচাই করতে হবে।

তবে এ নির্দেশনা আপাতত জেলা পুলিশের আওতাধীন পাম্পগুলোতে কার্যকর হলেও নগরীর পাম্পগুলোতে এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। নগরীর এক পাম্প মালিক জানান, তাদের পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দিয়ে তেল বিক্রি তদারকি করা হচ্ছে এবং তেল থাকলে আগত সব যানবাহনকেই সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলে দেশের বাজারেও তেল সংকটের আশঙ্কা দেখা দেয়। ফলে অতিরিক্ত মজুদের প্রবণতা বেড়ে যায়। এ পরিস্থিতিতে গত ৬ মার্চ সরকার পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করলেও ঈদ সামনে রেখে ১৪ মার্চ তা প্রত্যাহার করা হয়।

ঈদের আগে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও ২৩ মার্চ থেকে আবারও চট্টগ্রামের বিভিন্ন পাম্পে তেলের সংকট দেখা দেয়। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন মোটরসাইকেল চালকরা। অনেক পাম্পে বর্তমানে নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।

এদিকে পুলিশের নতুন নির্দেশনা নিয়ে পাম্প মালিকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। পটিয়ার এক পাম্প মালিক বলেন, গাড়ির কাগজপত্র যাচাই করার মতো দক্ষতা বা আইনি ক্ষমতা পাম্প কর্মীদের নেই। এতে জটিলতা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি ক্রেতাদের সঙ্গে বিরোধের আশঙ্কাও বাড়ছে।

তিনি আরও জানান, তেল সংকটের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাম্পে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে দীর্ঘ লাইনের চাপের মধ্যে কাগজপত্র যাচাই করে তেল বিক্রি করতে গেলে উত্তেজনা বাড়তে পারে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা ও অনিয়ম প্রতিরোধে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ হলেও কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য সমন্বিত তদারকি ও পাম্প মালিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

নির্বাচনের মাঠে সর্বশক্তি নিয়ে নামার আহ্বান জামায়াত আমিরের

এমবি টিভি | নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
নির্বাচনের মাঠে সর্বশক্তি নিয়ে নামার আহ্বান জামায়াত আমিরের

নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করে নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে মাঠে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, “আমাদের থামানোর সুযোগ নেই, আমরা থামব না।”

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

আসন্ন স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে নেতাকর্মীদের দিনরাত পরিশ্রম করার তাগিদ দেন জামায়াত আমির। গত জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আগের ভুল ও দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে। এবার সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। দেশ পরিচালনার দায়িত্ব কারা পাবে, তা জনগণই নির্ধারণ করবে।

সমাজ পরিবর্তনের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে এবং সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। সৎ, যোগ্য ও খোদাভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, রুকনিয়াত কোনো পদ-পদবি নয়, এটি একটি মান। আগামী মেয়র নির্বাচনে কার্যকর ভূমিকা রেখে নেতাকর্মীদের ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে।

ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সংগঠনের সদস্যদের মান, শৃঙ্খলা ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সম্মেলনে ‘নাগরিক সেবা’ নামে একটি অ্যাপ উদ্বোধন করেন ডা. শফিকুর রহমান। আয়োজকদের দাবি, এতে নাগরিকদের জন্য ৫০টির বেশি সেবামূলক সুবিধা থাকবে।

সম্মেলনের নির্বাচনী অধিবেশনে প্রায় ১ হাজার ৩০০ রুকন সদস্য ২০২৭-২০২৮ মেয়াদের জন্য ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির নির্বাচনে ভোট দেন।