শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পরও চলেছে গুলি, আফতাব হত্যায় ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি | এমবি টিভি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৮ পিএম
মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পরও চলেছে গুলি, আফতাব হত্যায় ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁওয়ে ইট-বালুর ব্যবসায়ী আফতাব উদ্দিনকে (২৭) গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রায় দুই বছর পর ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। অভিযোগপত্রে উঠে এসেছে হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহ বিবরণ—গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পরও আফতাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। হত্যার পরও প্রায় ৮ থেকে ১০ মিনিট ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে পালিয়ে যান হামলাকারীরা। ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর বিকেলে নগরের চান্দগাঁও থানার হাজীপাড়ায় ওমর ফারুকের চায়ের দোকানের সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। পুলিশের অভিযোগপত্র ও সিসিটিভি ফুটেজের বিবরণ অনুযায়ী, সেদিন একটি কালো রঙের নোহা মাইক্রোবাস এসে থামে চায়ের দোকানের সামনে। পরে গাড়ি থেকে নেমে কয়েকজন যুবক ব্যাগ থেকে অস্ত্র বের করে সেখানে বসে থাকা আফতাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন।

নিহত আফতাব হাজীপাড়া এলাকার মো. মুসার ছেলে। তাঁর পরিবারের দাবি, ইট-বালুর ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁকে হত্যা করা হয়।পুলিশের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে কালো রঙের নোহা মাইক্রোবাসটি হাজীপাড়ায় চায়ের দোকানের সামনে এসে থামে। ওই সময় সড়কে রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছিল। আশপাশের দোকান ও বাড়িঘরেও লোকজন ছিলেন।কিছুক্ষণ পর মাইক্রোবাস থেকে পাঁচ-ছয়জন যুবক নেমে কাঁধের ব্যাগ থেকে অস্ত্র বের করেন। এরপর দোকানের সামনে বসে থাকা আফতাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালান তাঁরা। গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে পড়ে যাওয়ার পরও তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আফতাবের ঊরু ও পায়ে পরপর চারটি গুলি লাগে। প্রকাশ্যে এভাবে গুলি চালানোর ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। লোকজন ছোটাছুটি শুরু করেন এবং আশপাশের সড়কে চলাচল ব্যাহত হয়।অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, আফতাবের মৃত্যু নিশ্চিত করার পরও হামলাকারীরা ফাঁকা গুলি ছুড়তে থাকেন। প্রায় ৮ থেকে ১০ মিনিট ধরে গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে তাঁরা মাইক্রোবাসে উঠে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।ঘটনার একজন প্রত্যক্ষদর্শী ও সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা স্থানীয় এক দোকানদারের ভাষ্য, হামলাকারীদের হাতে অস্ত্র দেখে এবং গুলির শব্দ শুনে ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেননি। যাতে কেউ তাঁদের ধাওয়া করতে সাহস না পান, সে জন্য পালানোর সময়ও ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়।

চান্দগাঁও থানা-পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্রে বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত সাজ্জাদ আলীর অনুসারী মো. সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ, মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন, বোরহান উদ্দিনসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।অন্য আসামিরা হলেন মো. হাসান, মোহাম্মদ ওরফে ভাতিজা মোহাম্মদ, খোরশেদ আলম চৌধুরী, মো. হেলাল, ইলিয়াস হোসেন, মো. এমরান, শিহাব উদ্দিন ও সাইফুল ইসলাম।পুলিশের তদন্তে বলা হয়েছে, ইট-বালুর ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে আফতাবকে হত্যা করা হয়। আসামিদের মধ্যে বোরহান উদ্দিন ও মোহাম্মদ জামিনে রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্য আসামিদের কারাগারে থাকার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

আফতাবের পরিবারের সদস্যদের দাবি, সাজ্জাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখালেখি করতেন আফতাব। ইট-বালুর ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়েও তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করা হতো। এ নিয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রায় দুই মাস আগে তাঁরা আদালতে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।তবে এ বিষয়ে পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ছোট সাজ্জাদ কারাগারে যাওয়ার পর তাঁর দলের নেতৃত্ব দেন ডেভিড ইমন। সাজ্জাদের নির্দেশে মুঠোফোনে চাঁদা চেয়ে হুমকি দেওয়া হতো বলে তদন্তে উঠে এসেছে। চাঁদা না পেলে নির্মাণাধীন ভবন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গুলি চালানোর অভিযোগও রয়েছে। চাঁদার টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো হতো বলেও তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে সাজ্জাদ আলী হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন। তাঁর এক আত্মীয়কেও ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে শটগানের কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সেগুলোর ব্যালিস্টিক পরীক্ষা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরীক্ষায় কার্তুজগুলো ১২ বোরের শটগানের বলে মত দেন সিআইডির চট্টগ্রামের ব্যালিস্টিক বিশেষজ্ঞ শাকেরুল আলম।এ মামলায় ছোট সাজ্জাদ ও ডেভিড ইমনসহ গ্রেপ্তার আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে চান্দগাঁও থানা-পুলিশ। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে আসামিদের অস্ত্র হাতে দেখা গেলেও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোনো অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদেও আসামিরা অস্ত্রের বিষয়ে তথ্য দেননি বলে জানিয়েছেন সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা চান্দগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম।

মামলাটির তদন্তে পর্যায়ক্রমে চারজন এসআই দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা জানান, এজাহারের বাইরে তদন্তে যাঁদের নাম এসেছে, তাঁদেরও অভিযোগপত্রে আসামি করা হয়েছে।ছেলের হত্যাকাণ্ডের তদন্তে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আফতাবের বাবা মো. মুসা। তিনি নগরের জুবিলী রোড এলাকার একটি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন। তাঁর অভিযোগ, বারবার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোনো অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি।বিচার পাওয়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করলেও নিরাপত্তার আশঙ্কায় এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে রাজি হননি তিনি।চট্টগ্রাম নগরের জনবহুল এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার এ ঘটনা এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য এবং উদ্ধার হওয়া কার্তুজ তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া এবং তদন্তে দীর্ঘ সময় লাগা মামলাটিকে আরও আলোচনায় এনেছে।

এখন আফতাবের পরিবারের প্রত্যাশা, আদালতে মামলার বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটিত হবে এবং দায়ীদের আইন অনুযায়ী শাস্তি নিশ্চিত হবে।

সাত বছরের প্রেম ভাঙার অভিযোগ তিশার, সাবিলা-মামুনকে ঘিরে শোবিজে আলোচনা

এমবি টিভি | নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ পিএম
সাত বছরের প্রেম ভাঙার অভিযোগ তিশার, সাবিলা-মামুনকে ঘিরে শোবিজে আলোচনা

ঢাকাই শোবিজে অভিনেত্রী সাবিলা নূর ও চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মামুনের সঙ্গে দীর্ঘ সাত বছরের প্রেমের সম্পর্ক ও বিয়ের প্রস্তুতি ভেঙে যাওয়ার জন্য সাবিলা নূরকে দায়ী করেছেন তিশা নামের এক নারী। তাঁর দাবি, দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন হলেও নির্ধারিত তারিখের কয়েক দিন আগে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান মামুন। পরে সাবিলা নূরের সঙ্গে মামুনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা জানতে পারেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।তবে তিশার এসব অভিযোগের বিষয়ে সাবিলা নূর, তাঁর স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহের কিংবা আবদুল মামুনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তিশার ভাষ্য অনুযায়ী, সাবিলা নূর অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার পরপরই আবদুল মামুনের সঙ্গে তাঁর বিয়ের পরিকল্পনা ছিল। এ জন্য ১৫ মে বিয়ের তারিখও নির্ধারণ করা হয়েছিল। দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল বলেও দাবি করেন তিনি।তিশার অভিযোগ, বিয়ের কয়েক দিন আগে মামুন তাঁকে জানান, তিনি আর বিয়ে করতে চান না। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়েও সন্তোষজনক উত্তর পাননি বলে জানান তিশা। পরে সাবিলা নূরের সঙ্গে মামুনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা জানতে পারেন বলে দাবি করেন তিনি।তিশার ভাষ্য, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের এমন পরিণতি তাঁকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে। তাঁর অভিযোগ, পরিবারের সদস্যরা মামুনকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য বোঝানোর চেষ্টা করলেও তাতে কোনো ফল হয়নি।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিশা অভিযোগ করেন, সাবিলা নূর তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টি জানতেন। তারপরও তাঁর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি।তিশার দাবি, আবদুল মামুনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সাত বছরের সম্পর্ক ছিল এবং বিয়ের প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মামুনের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়।তিনি আরও জানান, ‘রকস্টার’ সিনেমার কাজের কারণে তাঁদের বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। শাকিব খানের মতো তারকার সঙ্গে কাজের সুযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে তিনি বিয়ে পিছিয়ে দিতে সম্মত হয়েছিলেন বলে দাবি করেন।তিশার ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় তাঁর পরিবারের সদস্যরা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবলেও তিনি তাতে সম্মতি দেননি। কেন বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ানো হয়েছে, সে বিষয়ে মামুনের কাছ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তবে এ বিষয়ে আবদুল মামুনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত চিত্র আরও পরিষ্কার হতে পারে।

এদিকে সাবিলা নূর ও তাঁর স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়েও সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা চলছে। দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১৯ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। তাঁদের সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে নানা দাবি প্রচারিত হলেও এ বিষয়ে দুজনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।একই সঙ্গে সাবিলা নূর ও শাকিব খানকে ঘিরেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ছড়িয়েছে। ‘তাণ্ডব’ ও ‘রকস্টার’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সূত্র ধরে তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছে। তবে এসব দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই গুঞ্জনকে প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিংকে কেন্দ্র করে সাবিলা নূর ও আবদুল মামুনের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিশা। এ বিষয়ে সিনেমাটির পরিচালক আজমান রুশোর বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি। পরে এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে গণমাধ্যমকে বার্তা দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।