সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৫:২৩ পিএম
প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রিসভায় স্থান করে নিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান। তাকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এদিকে আহমেদ আযম খান মন্ত্রী হওয়ায় টাঙ্গাইলে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা দেখা গেছে। এছাড়া তার নির্বাচনি এলাকা সখীপুর বাসাইলে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ মিনার থেকে আহমেদ আযম খানের সমর্থিত বিএনপির নেতাকর্মীরা মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ আসন থেকে আহমেদ আযম খান ১ লাখ ১৩ হাজার ২১৪ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ও শিল্পপতি সালাউদ্দিন আলমগীর (হরিণ) প্রতীক নিয়ে পান ৭৬ হাজার ৪৪৮ ভোট। এতে ৩৬ হাজার ৭৬৬ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে তিনি প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে এর আগে তিনি ২০০৮ এবং ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিলেন।

সখীপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সিকদার মোহাম্মদ ছবুর রেজা বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর এই প্রথম একজন মন্ত্রী পেলাম আমরা। আশা করছি, তার হাত ধরে আমাদের সখীপুরের আঁটিয়া বন অধ্যাদেশসহ সখীপুর-বাসাইলের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হবে এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড ও উন্নয়ন সাধিত হবে।

বাসাইল উপজেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি এনামুল করীম অটল বলেন, আহমেদ আযম খান তৃণমূল থেকে তিল তিল করে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক কর্মী থেকে নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। সুখে-দুঃখে এলাকার মানুষ তাকে পাশে পায়।

নির্বাচনের মাঠে সর্বশক্তি নিয়ে নামার আহ্বান জামায়াত আমিরের

এমবি টিভি | নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
নির্বাচনের মাঠে সর্বশক্তি নিয়ে নামার আহ্বান জামায়াত আমিরের

নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করে নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে মাঠে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, “আমাদের থামানোর সুযোগ নেই, আমরা থামব না।”

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

আসন্ন স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে নেতাকর্মীদের দিনরাত পরিশ্রম করার তাগিদ দেন জামায়াত আমির। গত জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আগের ভুল ও দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে। এবার সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। দেশ পরিচালনার দায়িত্ব কারা পাবে, তা জনগণই নির্ধারণ করবে।

সমাজ পরিবর্তনের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে এবং সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। সৎ, যোগ্য ও খোদাভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, রুকনিয়াত কোনো পদ-পদবি নয়, এটি একটি মান। আগামী মেয়র নির্বাচনে কার্যকর ভূমিকা রেখে নেতাকর্মীদের ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে।

ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সংগঠনের সদস্যদের মান, শৃঙ্খলা ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সম্মেলনে ‘নাগরিক সেবা’ নামে একটি অ্যাপ উদ্বোধন করেন ডা. শফিকুর রহমান। আয়োজকদের দাবি, এতে নাগরিকদের জন্য ৫০টির বেশি সেবামূলক সুবিধা থাকবে।

সম্মেলনের নির্বাচনী অধিবেশনে প্রায় ১ হাজার ৩০০ রুকন সদস্য ২০২৭-২০২৮ মেয়াদের জন্য ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির নির্বাচনে ভোট দেন।