মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

দলিল রেজিস্ট্রিতে ঘুষ: চট্টগ্রামে সাব-রেজিস্ট্রারসহ আটক ৩

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৯ পিএম
দলিল রেজিস্ট্রিতে ঘুষ: চট্টগ্রামে সাব-রেজিস্ট্রারসহ আটক ৩

চট্টগ্রামের পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে ২ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় সাব-রেজিস্ট্রারসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ট্র্যাপ টিম।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম এবং ওই কার্যালয়ের উমেদার রূপন দাশ।মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে দুদক।

দুদক সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের এক আইনজীবী তাঁর মক্কেলের দুটি অংশীদারি চুক্তিপত্র রেজিস্ট্রির জন্য পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দাখিল করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, দলিল দুটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও সেগুলোর রেজিস্ট্রি প্রক্রিয়া আটকে রাখেন সাব-রেজিস্ট্রার।

পরে দলিল দুটি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার বিনিময়ে সাব-রেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান ও হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ওই আইনজীবীর কাছে ২ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

বিষয়টি নিয়ে নিরুপায় হয়ে ওই আইনজীবী দুর্নীতি দমন কমিশনের হটলাইন ১০৬ নম্বরে অভিযোগ করেন। পরে তিনি দুদকের জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১-এ লিখিত আবেদন করেন।

অভিযোগ পাওয়ার পর কমিশনের অনুমোদন নিয়ে অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুদকের জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১-এর একটি বিশেষ ট্র্যাপ টিম পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে অভিযান চালায়।

অভিযানের একপর্যায়ে ২ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় সাব-রেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপন দাশকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

দুদক জানিয়েছে, অভিযানের পর আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১-এ মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বাড়তি ভাড়া আদায় করলেই বাতিল হবে বাসের রুট পারমিট

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০২ পিএম
বাড়তি ভাড়া আদায় করলেই বাতিল হবে বাসের রুট পারমিট

সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করলে সংশ্লিষ্ট বাসের রুট পারমিট বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

এর আগে একই দিন দূরপাল্লা ও মহানগর—উভয় ধরনের বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন ভাড়ার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারির পর তা কার্যকর হবে।

মন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী ভাড়া ২০ পয়সা বাড়ানোর কথা থাকলেও যাত্রীদের ওপর চাপ বিবেচনায় নিয়ে ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাস মালিকরা রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ও পরিচালন ব্যয়ের বিষয়টি তুলে ধরেছেন বলেও জানান তিনি।

শেখ রবিউল আলম বলেন, যেকোনো ধরনের ভাড়া বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও জ্বালানি তেলের মূল্য বিবেচনায় নিয়ে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের চেষ্টা করা হয়েছে।

নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি আদায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো বাস সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নিলে সংশ্লিষ্ট বাসের রুট পারমিট বাতিল করা হবে।

রেলভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রী জানান, আপাতত রেলের ভাড়া বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে রেল ও লঞ্চের ভাড়া নিয়ে পরশুদিন বৈঠক হবে। লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে ভাড়া বাড়ানোর দাবি রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর পর বাসভাড়া সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার নতুন ভাড়া নির্ধারণের সিদ্ধান্ত আসে।