ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল নামার অপেক্ষায় কক্সবাজার
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রমজানের স্থবিরতা কাটিয়ে ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিতে পর্যটকদের বরণে পুরোপুরি প্রস্তুত দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজার। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এবারের ঈদে অন্তত ১০ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটতে পারে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতে।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের ছুটিতে কয়েক লাখ পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণে আসবেন। ইতোমধ্যে শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল ও গেস্টহাউসের অর্ধেকের বেশি কক্ষ আগাম বুকিং হয়ে গেছে। ঈদের আগে এবং ছুটির দিনগুলোতে শতভাগ বুকিংয়ের আশা করছেন হোটেল মালিকরা। পাশাপাশি সাত শতাধিক রেস্তোরাঁ ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানও প্রস্তুত রয়েছে পর্যটকদের সেবায়।
পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে সমুদ্রসৈকত ছাড়াও কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ, ইনানী সৈকত, টেকনাফ সমুদ্রসৈকত, রামু বৌদ্ধপল্লি, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক, মহেশখালী ও সোনাদিয়া দ্বীপ। এসব পর্যটনকেন্দ্র ইতোমধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।
সৈকতে পর্যটকদের বিনোদনের জন্য জেটস্কি, স্পিডবোট, টিউব ও কিটকটসহ নানা আয়োজন রাখা হচ্ছে। রমজানজুড়ে ফাঁকা থাকা সৈকত ও হোটেলগুলো এখন ধীরে ধীরে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে।
হোটেল, মোটেল ও গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, গত বছর ঈদে প্রায় সাত লাখ পর্যটক কক্সবাজারে এসেছিলেন, যার মাধ্যমে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার বাণিজ্য হয়েছিল। এবার ছুটি বেশি হওয়ায় পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও প্রস্তুত রয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশ জানিয়েছে, সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, পেট্রোল টিম এবং সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টানা সাত দিনের ছুটির প্রতিটি দিনেই লক্ষাধিক পর্যটকের উপস্থিতিতে মুখর থাকবে কক্সবাজার, যা পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।





