সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল নামার অপেক্ষায় কক্সবাজার

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ১১:২৪ এম
ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ঢল নামার অপেক্ষায় কক্সবাজার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রমজানের স্থবিরতা কাটিয়ে ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিতে পর্যটকদের বরণে পুরোপুরি প্রস্তুত দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজার। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এবারের ঈদে অন্তত ১০ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটতে পারে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতে।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের ছুটিতে কয়েক লাখ পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণে আসবেন। ইতোমধ্যে শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল ও গেস্টহাউসের অর্ধেকের বেশি কক্ষ আগাম বুকিং হয়ে গেছে। ঈদের আগে এবং ছুটির দিনগুলোতে শতভাগ বুকিংয়ের আশা করছেন হোটেল মালিকরা। পাশাপাশি সাত শতাধিক রেস্তোরাঁ ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানও প্রস্তুত রয়েছে পর্যটকদের সেবায়।

পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে সমুদ্রসৈকত ছাড়াও কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ, ইনানী সৈকত, টেকনাফ সমুদ্রসৈকত, রামু বৌদ্ধপল্লি, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক, মহেশখালী ও সোনাদিয়া দ্বীপ। এসব পর্যটনকেন্দ্র ইতোমধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।

সৈকতে পর্যটকদের বিনোদনের জন্য জেটস্কি, স্পিডবোট, টিউব ও কিটকটসহ নানা আয়োজন রাখা হচ্ছে। রমজানজুড়ে ফাঁকা থাকা সৈকত ও হোটেলগুলো এখন ধীরে ধীরে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে।

হোটেল, মোটেল ও গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, গত বছর ঈদে প্রায় সাত লাখ পর্যটক কক্সবাজারে এসেছিলেন, যার মাধ্যমে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার বাণিজ্য হয়েছিল। এবার ছুটি বেশি হওয়ায় পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও প্রস্তুত রয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশ জানিয়েছে, সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, পেট্রোল টিম এবং সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টানা সাত দিনের ছুটির প্রতিটি দিনেই লক্ষাধিক পর্যটকের উপস্থিতিতে মুখর থাকবে কক্সবাজার, যা পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

নির্বাচনের মাঠে সর্বশক্তি নিয়ে নামার আহ্বান জামায়াত আমিরের

এমবি টিভি | নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
নির্বাচনের মাঠে সর্বশক্তি নিয়ে নামার আহ্বান জামায়াত আমিরের

নির্বাচনী প্রস্তুতি জোরদার করে নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে মাঠে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, “আমাদের থামানোর সুযোগ নেই, আমরা থামব না।”

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

আসন্ন স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে নেতাকর্মীদের দিনরাত পরিশ্রম করার তাগিদ দেন জামায়াত আমির। গত জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আগের ভুল ও দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়েছে। এবার সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। দেশ পরিচালনার দায়িত্ব কারা পাবে, তা জনগণই নির্ধারণ করবে।

সমাজ পরিবর্তনের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে এবং সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। সৎ, যোগ্য ও খোদাভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, রুকনিয়াত কোনো পদ-পদবি নয়, এটি একটি মান। আগামী মেয়র নির্বাচনে কার্যকর ভূমিকা রেখে নেতাকর্মীদের ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে।

ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সংগঠনের সদস্যদের মান, শৃঙ্খলা ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সম্মেলনে ‘নাগরিক সেবা’ নামে একটি অ্যাপ উদ্বোধন করেন ডা. শফিকুর রহমান। আয়োজকদের দাবি, এতে নাগরিকদের জন্য ৫০টির বেশি সেবামূলক সুবিধা থাকবে।

সম্মেলনের নির্বাচনী অধিবেশনে প্রায় ১ হাজার ৩০০ রুকন সদস্য ২০২৭-২০২৮ মেয়াদের জন্য ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির নির্বাচনে ভোট দেন।