আফতাবনগর-বনশ্রী সেতু চালু, কমবে ৪০ মিনিটের ভোগান্তি
রাজধানীর আফতাবনগর ও বনশ্রীর মধ্যে যোগাযোগ সহজ করতে ডেমরাগামী রামপুরা-বনশ্রী সড়কের ফরাজী হাসপাতালের পাশে, রামপুরা (বেগুনবাড়ী) খালের ওপর নির্মিত পদচারী সেতু উদ্বোধন করা হয়েছে। নতুন এই সেতু চালু হওয়ায় দুই এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় বাঁচবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বুধবার আফতাবনগরে ৪২ মিটার দীর্ঘ সেতুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৩ কোটি ২৮ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। সেতুটির প্রস্থ ৩ দশমিক ৮০ মিটার। স্টিলের কাঠামোর ওপর কংক্রিটের স্ল্যাব ও টাইলস দিয়ে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।
এতদিন আফতাবনগর ও বনশ্রীর বাসিন্দাদের রামপুরা (বেগুনবাড়ী) খাল পার হতে বাঁশের সাঁকো কিংবা নৌকার ওপর নির্ভর করতে হতো। এতে প্রতিদিন কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দীর্ঘ সময় ও ভোগান্তির মুখে পড়তে হতো।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, আফতাবনগর ও বনশ্রী এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা। পদচারী সেতু চালু হওয়ায় এখন তাঁদের যাতায়াতে সময় ও ভোগান্তি দুটোই কমবে।
তিনি জানান, এর পাশাপাশি আরও দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। এসব সেতু দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে। ভবিষ্যতে এমআরটি প্রকল্পের কাজ শুরু হলে বিকল্প বা বাইপাস রুট হিসেবে এসব সেতু প্রধান সড়কের ওপর চাপ কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পদচারী সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তাসহ স্থানীয় সোসাইটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





