কক্সবাজারের কুতুবদিয়াপাড়ায় গৃহবধূকে পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা ছিনতাই, ৩ পুলিশ গ্রেপ্তার - MB TV

কক্সবাজারের কুতুবদিয়াপাড়ায় গৃহবধূকে পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা ছিনতাই, ৩ পুলিশ গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ মার্চ ৩, ২০২১ | ১০:৫৭ 138 ভিউ
ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ মার্চ ৩, ২০২১ | ১০:৫৭ 138 ভিউ
Link Copied!

কক্সবাজার সংবাদদাতা:

কক্সবাজারের মধ্যম কুতুবদিয়াপাড়ায় গৃহবধূকে পিস্তল ঠেকিয়ে তিন লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ওই তিনজনকে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার তিন পুলিশ সদস্য হলেন— কক্সবাজার শহর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) নুর হুদা ছিদ্দিকী, কনস্টেবল আমিনুল মমিন ও মামুন মোল্লা।

সোমবার রাতে গৃহবধূ রোজিনা খাতুন বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় তিন পুলিশ সদস্যের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা পাঁচজনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেন।

মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, গতকাল তার বাড়ির সামনে থেকে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুনীর উল গীয়াস বলেন, তিন পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ বিকেলে কক্সবাজার আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু আজ বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত রিমান্ডের শুনানি হয়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। ছিনতাই হওয়া টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান বলেন, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। অপরাধ করে কেউ পার পাবেন না। গ্রেপ্তার পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, গতকাল বিকেলে কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম কুতুবদিয়া পাড়ার বাসিন্দা ব্যবসায়ী রিয়াজ আহমদের বসতবাড়িতে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। বিকেল ৪টার দিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে সাদাপোশাকধারী পুলিশের পাঁচ সদস্য রিয়াজ আহমদের বসতবাড়িতে যান। এরপর পুলিশ পরিচয় দিয়ে সাদাপোশাকধারীরা ব্যবসায়ী রিয়াজের স্ত্রীকে অস্ত্র ঠেকিয়ে টাকা ছিনতাই করেন।

রোজিনার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে টাকা নিয়ে পুলিশ সদস্যরা অটোরিকশায় করে পালানোর চেষ্টা করেন। জনতা ধাওয়া দিয়ে একজন কনস্টেবলকে ধরে ফেলেন। বাকি চারজন পালিয়ে যান। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ ফোন করা হয়। কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশকে ঘটনাটি জানানো হয়। রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আরও দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।

বিষয়ঃ