1. khyrulislam2@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. mbtvnews24@gmail.com : editor :
ইসরায়েল ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী একসূত্রে গাঁথা - MB TV
১লা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

ইসরায়েল ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী একসূত্রে গাঁথা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১

বেলাল আহমেদ

ইসরায়েল ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী একসূত্রে গাঁথা।

আজ থেকে ৯১ বছর পূর্বে ১৯৩০ সালে পোলেন্ট থেকে একদল ইহুদি আগমন ঘটে ফিলিস্তিনে। সেই সময়  ইহুদিদের ইউরোপে কেউ পছন্দ করতো না।

১৯৩৩ সালে হিটলার ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণে  দিশেহারা হাজার হাজার ইহুদি ফিলিস্তিনে প্রবেশ করতে শুরু করলো। ফিলিস্তিনের গাজা শহর থেকে ২ কিলোমিটার দূরে তাদের অবস্থান। তারা সেখানে কৃষি কাজ শুরু করে দিলেন এবং ধিরে ধিরে কৃষি খামার গড়ে তুলতে শুরু করলো বিভিন্ন স্থানে। ইহুদিরা অন্য দেশ থেকে যেহেতু এসেছে ফিলিস্তিনের আরবরা তাদের কে সমাদর করতে লাগলো। স্থানীয় আরব ও ইহুদিদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠতে লাগলো। সহমর্মিতা কোন ঘাটতি ছিল না। আস্থে আস্তে ইহুদিরা ফিলিস্তিনে আসতে শুরু করলো। ইচ্ছে মতো জমি কিনতে লাগলো। ইহুদিদের যড়যন্ত্র ফিলিস্তিনের সহজ সরল আরববেরা বুঝতে পারেনি বলে আজ নিজ দেশে নিজের জন্মভূমিতে ভাড়াটিয়া হয়ে গেছে।

ফিলিস্তিনের আরবদের সহজ সরলতার কারণে ৭ লক্ষ মানুষ নিজের জমি ঘর বাড়ি বিহীন অবস্থান আতংকে অতিবাহিত করতেছে। নিজ দেশে নিজারা আজ বাস্তহারা।

মায়ানমারে(বার্মা)রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর সেই দেশের রাষ্ট্র কতৃক কঠোর অবস্থান দেখে বাংলাদেশের সহজ সরল মানুষ তাদের স্থান দিয়েছে। ঠিক যেভাবে  ইহুদিদের ফিলিস্তিনের আরবেরা স্থান দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ রোহিঙ্গাদের সমাদর করে যাচ্ছে। রোহিঙ্গাদের জন্য ক্যাম্পে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন দেশি আন্তর্জাতিক সংস্থা সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। যার কারনে ফিলিস্তিনের ইহুদিদের মতো বাংলাদেশের রোহিঙ্গারা কিছু রাজনৈতিক নেতা অনৈতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে স্থাপনা করে যাচ্ছে।

 

এমনকি বাংলাদেশের নাগরিক পাসপোর্ট করে প্রবাসে পাড়ি জমিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হচ্ছে যার কারনে বিভিন্ন দেশে শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। বাংলাদেশের রোহিঙ্গাদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে তা বাংলাদেশের জন্য কল্যাণকর নই। ৎ

 

রোহিঙ্গারা আজ দেশের বাইরে যেভাবে বাংলাদেশের সুনাম নষ্ট করতেছে ঠিক বাংলাদেশে ও খুন,চুরি,ডাকাতি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত হচ্ছে। বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চারদিকে বাংলাদেশের মানুষ আতংকিত অবস্থায় জীবন যাপন করে যাচ্ছে

।রোহিঙ্গাদের স্বভাব চরিত্র সম্পর্কে সৌদি আরব প্রবাসী বাংলাদেশিরা জানতে পারে। তারা কোন স্বভাবের লোক। বার্মার রোহিঙ্গাদের স্বভাব চরিত্র না থাকার কারণে সৌদি আরবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয় না। বিশেষ করে পবিত্র মক্কা হারামাইন শরিফে। কিছু অসাধু রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের অসাধু মুনাফালোভী ব্যক্তির কারণে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের ভোটার আইডি কার্ড,পাসপোর্ট সংগ্রহ করে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি দাবী করে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে যার কারনে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি প্রবাসীদের সুনাম নষ্ট হচ্ছে।

ফিলিস্তিন ইহুদিদের যড়যন্ত্র বুঝতে না পারাই নিজ দেশে পরাধীন।ঠিক বিশ্বের যড়যন্ত্র বুঝতে না পারলে বাংলাদেশ আগামীতে ফিলিস্তিনের মতো অবস্থা তৈরি হতে পারে।রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দেশি অস্ত্র তৈরি হচ্ছে যা আমরা দেশের বিভিন্ন নিউজে দেখতে পেয়েছি।একটু লক্ষ্য করলে বুঝা যায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটু উচ্চস্বরে সাউন্ড হলে যেভাবে বিদেশি দাতা সংস্থা অনুদান নিয়ে এগিয়ে আসে।কউ কোন দিন বাংলাদেশের বন্যায় পানি বন্দী মানুষকে সহায়তা করতে এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি।এইগুলো বাংলাদেশের জন্য সংকেত মাত্র। বাংলাদেশ সরকার যদি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর নজরদারি না করেন এবং তাদের কে নিজ দেশে প্রত্যাবর্ধন না করেন তা হলে বাংলাদেশের জনগণ নিজ দেশে পরাধীন হয়ে থাকতে হবে আগামীতে।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০৬ - ২০২১
Developed By Bongshai IT