1. khyrulislam2@gmail.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  2. mbtvnews24@gmail.com : editor :
বিশ্ব শকুন সচেতনতা দিবস আজ - MB TV
২৩শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

বিশ্ব শকুন সচেতনতা দিবস আজ

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

নিউজ ডেস্ক :

পঁচা-আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ রক্ষাকারী পাখি শকুন। এই প্রাণীর অস্তিত্ব বিলুপ্তির মুখে। দেশে ও বিশ্বে এই মহাবিপদাপন্ন পাখির অবস্থা এখন ভালো নয়। গত তিন দশকে দেশের প্রায় ৯৯ ভাগ শকুনের মৃত্যু হয়েছে। মানুষের পরম বন্ধু ও প্রকৃতির ঝাড়ুদার খ্যাত এই পাখি রক্ষায় সম্প্রতি প্রাণী চিকিৎসায় ব্যবহৃত ডাইক্লোফেনাক ও কিটোপ্রফেন নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

পঁচা, গলা, মরা প্রাণী খেয়ে বাঁচে শকুন। তাই মানুষের পরম বন্ধু শকুনকে বলা হয় প্রকৃতির ঝাড়ুদার। পরিবেশ পরিচ্ছন্নতায় অবদান রাখা এই পাখি এখন বিলুপ্তির পথে। প্রাণী গবেষকরা বলছেন, পাখিটির বিলুপ্তির মূল কারণ গবাদিপশু চিকিৎসায় ডাইক্লোফেনাক ও কিটোপ্রফেনের ব্যবহার। কেননা, ওষুধ দুটি প্রয়োগ করা প্রাণীর মরদেহ খেলে শকুন মারা যায়। তাই শকুন রক্ষায় এ দুটি ওষুধ এখন নিষিদ্ধ।

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের আবাসিক প্রতিনিধি রাকিবুল আমিন বলেন, প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাওয়া প্রাণীদের মধ্যে শকুনই সবচেয়ে দ্রুত বিলুপ্তির পথে।

শকুন রক্ষায় সুন্দরবন ও হবিগঞ্জের রেমা-কেলেঙ্গায় গড়ে তোলা হয়েছে অভয়াশ্রম। হিমালয় গ্রিফন শকুন রক্ষায় দিনাজপুরের সিংগাড়া ফরেস্টে আছে একটি উদ্ধার কেন্দ্র। সেই সঙ্গে পাখিটির জন্য ৬৫ ফুটের ওপরে লম্বা গাছ রক্ষা করতে হবে।

দেশে এক সময় পাঁচ প্রজাতির শকুন দেখা যেত। কিন্তু এখন শুধু বাংলা শকুন নামের একটি প্রজাতির ১৬০টি শকুনের দেখা মেলে। প্রাণী গবেষকেরা বলছেন, এখনই শকুন রক্ষায় সচেতন না হলে আগামী ৫ বছর পর দেশে এর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০৬ - ২০২১
Developed By Bongshai IT